সারাদেশে মোট ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৬০ শিক্ষার্থী ফেল করেছে
২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে মোট ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৬০ শিক্ষার্থী ফেল করেছে
📉 ফেলের হার ও প্রেক্ষাপট
-
মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন (আড়াই কোটি ছুঁই ছুঁই)।
-
পাশের হার ৬৮.৪৫% হওয়ায়, আনুপাতিকভাবে ফেল করেছে প্রায় ৩১.৫৫% শিক্ষার্থী, যা সংখ্যাগতভাবে ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৬০
🔍 বিষয়ভিত্তিক ফেলের কারণ
-
সবচেয়ে বেশি ফেল হওয়া বিষয়: গণিত ও ইংরেজি, যেখানে শতাংশে ফেইলার সংখ্যা বেশি দেখা গেছে ।
-
মাদ্রাসা বোর্ডে গণিতে প্রবল সমস্যার কারণে অনেক পড়ুয়া ফেল করেছে — গণিতে ফেল শতকরা প্রায় ১২.৬৪%
🏫 বোর্ড ও বিদ্যালয় ভিত্তিক ছড়িয়ে পড়া
-
১৩৪টি বিদ্যালয়ে একমাত্র শিক্ষার্থীও পাশ করতে পারেনি ।
-
ফলাফলে মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা গড়ে অনেক পিছিয়ে, বিশেষ করে গণিতে ।
🎯 সারসংক্ষেপ
-
মোট ফেল: প্রায় ৬,৬৬,০০০ শিক্ষার্থী।
-
প্রধানত গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বলতা ফেলের তুলনায় দায়ী।
-
মাদ্রাসা ও দুর্বল স্কুলের পড়ুয়াদের ফলাফলে সর্বনিম্ন (সহ ধরা পড়ছে অনেকের একেবারেই পাশ না হওয়া)।
-
ফলাফল থেকে স্পষ্ট, গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখযোগ্য সমস্যা: বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিকৈফিয়ত ও বিদ্যালয়ভিত্তিক দুর্বলতা।
✅ পরবর্তী করণীয়
-
বিশেষ কোচিং প্রোগ্রাম: গণিত ও ইংরেজিতে এমন হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি প্রয়োজন।
-
বিদ্যালয় পর্যায় গভীর সহায়তা: ১৩৪টি শূন্য পাশের স্কুল চিহ্নিত করে যেন দ্রুত সমর্থন দেওয়া হয়।
-
মাদ্রাসা বোর্ডের গণিত শিক্ষক প্রশিক্ষণ: গণিতে শিক্ষার মান উন্নয়নে মেন্টরিং ও সামগ্রী সরবরাহ।
-
রিভিউ ও রিটেস্ট ব্যবস্থা: যারা ফেল করেছে, তাদের পুনরায় লিখিত পরীক্ষায় সুযোগ দেওয়া, যাতে শিক্ষার্থীরা স্ব-প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।




