একাদশ শ্রেণির বাংলা ১ম পত্র (গদ্য অংশ) থেকে শেষ ৪টি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
একাদশ শ্রেণির বাংলা ১ম পত্র (গদ্য অংশ) থেকে শেষ ৪টি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো:
🔰 ৬. বাংলা সাহিত্যের ধারা – মুহম্মদ দীনেশচন্দ্র সেন
🔹 সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন ১: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ধর্মীয় প্রভাব, কাব্যধর্মিতা ও মৌখিক সাহিত্যরূপে প্রচার।
প্রশ্ন ২: মুসলমান শাসকদের অবদানের দৃষ্টান্ত দাও।
উত্তর: মুসলমান শাসকরা বাংলা সাহিত্যের বিকাশে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন, যেমন হোসেন শাহর দরবারে কবি মালাধর বসু কবিতা রচনা করেন।
🔹 রচনাধর্মী প্রশ্ন:
প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের ধারা পরিবর্তনের ইতিহাস আলোচনা কর।
উত্তর: প্রাচীন বাংলা সাহিত্য মূলত ধর্মীয় ও কাব্যমুখর ছিল। মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলী ও মঙ্গলকাব্য বিস্তার লাভ করে। মুসলমান কবিদের অবদানে সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়। আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ, নজরুলসহ বিভিন্ন লেখকের হাত ধরে সাহিত্য হয় মানবিক, সমাজ সচেতন ও বহুমুখী।
🔰 ৭. আমার ফেরা – সেলিনা হোসেন
🔹 সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন ১: লেখিকা কোথা থেকে ফিরে এসেছেন?
উত্তর: লেখিকা মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তান থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন।
প্রশ্ন ২: লেখিকার মনে কী পরিবর্তন এসেছে?
উত্তর: দেশে ফিরে তিনি এক নতুন আবেগ, শক্তি ও দায়িত্ববোধ অনুভব করেন। মুক্তিযুদ্ধ তার মনে নতুন চেতনার সঞ্চার করে।
🔹 রচনাধর্মী প্রশ্ন:
প্রশ্ন: ‘আমার ফেরা’ প্রবন্ধে লেখিকার চেতনা কীভাবে প্রকাশ পায়?
উত্তর: লেখিকা মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে ফিরে দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ অনুভব করেন। দেশ, মানুষ, স্বাধীনতা ও সংস্কৃতি তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়।
🔰 ৮. বই – আহমদ ছফা
🔹 সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন ১: লেখকের মতে বই কী?
উত্তর: বই লেখকের কাছে জীবনের দর্পণ, মুক্তি ও জ্ঞানের উৎস। এটি একান্ত আপন বন্ধু।
প্রশ্ন ২: লেখক বইয়ের প্রভাব কীভাবে অনুভব করেছেন?
উত্তর: বই লেখকের চিন্তা, অনুভূতি ও আত্মবিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
🔹 রচনাধর্মী প্রশ্ন:
প্রশ্ন: আহমদ ছফার রচনায় বইয়ের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: লেখক বইকে একজন অন্তরঙ্গ সাথী হিসেবে দেখেছেন। জ্ঞানার্জন, মনের প্রশান্তি এবং মানসিক পরিপূর্ণতা বইয়ের মাধ্যমে অর্জিত হয় বলে তিনি মনে করেন।
🔰 ৯. বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে আছি – জহির রায়হান
🔹 সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন ১: “বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে আছি” কথাটির প্রতীকী অর্থ কী?
উত্তর: এটি প্রতীকীভাবে জাতির অটল, দৃঢ় অবস্থান এবং সংগ্রামী চেতনাকে বোঝায়।
প্রশ্ন ২: লেখক কীভাবে যুদ্ধকালীন বাস্তবতা তুলে ধরেছেন?
উত্তর: লেখক যুদ্ধকালীন সময়ের ভয়াবহতা, বেদনা এবং মানুষের দুর্দশার চিত্র ভাষায় প্রকাশ করেছেন।
🔹 রচনাধর্মী প্রশ্ন:
প্রশ্ন: ‘বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে আছি’ পাঠে মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ফুটে উঠেছে—ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: লেখক যুদ্ধের কষ্ট, বাস্তবতা এবং জাতির অবিচল মনোভাবকে বর্ণনা করেছেন। এটি একটি প্রতীকী ও আবেগঘন চিত্রায়ণ যা মানুষের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করায়।















