ইরাসমাস মুণ্ডাস (Erasmus Mundus) স্কলারশিপ প্রোগ্রামসমূহ
ইরাসমাস মুণ্ডাস (Erasmus Mundus) স্কলারশিপ প্রোগ্রামসমূহ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো, যা ২০২৬ সালে বিদেশে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ:
🎓 ইরাসমাস মুণ্ডাস (Erasmus Mundus) স্কলারশিপ প্রোগ্রামসমূহ
১. Erasmus Mundus Joint Master Degrees (EMJMDs)
-
বর্ণনা:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক অর্থায়িত এই প্রোগ্রামটি বিভিন্ন ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ মাস্টার্স কোর্স। শিক্ষার্থীরা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে পড়াশোনা করে ডিগ্রি অর্জন করে। -
স্কলারশিপ সুবিধা:
টিউশন ফি, যাতায়াত খরচ, জীবনযাত্রার ভাতা, স্বাস্থ্য বীমা কভার করা হয়। -
আবেদন প্রক্রিয়া:
সংশ্লিষ্ট EMJMD প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটে সরাসরি আবেদন করতে হয়। -
আবেদনের সময়সীমা:
সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসের মধ্যে। -
ওয়েবসাইট:
Erasmus Mundus Joint Masters
২. Erasmus Mundus Action 2 – Partnerships
-
বর্ণনা:
উন্নয়নশীল দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতামূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ভর্তির সুযোগ দেয়। -
স্কলারশিপ সুবিধা:
টিউশন ফি, ভ্রমণ খরচ, থাকার খরচ অন্তর্ভুক্ত। -
আবেদন প্রক্রিয়া:
নির্দিষ্ট প্রকল্পের অধীনে আবেদন করতে হয়। -
ওয়েবসাইট:
সাধারণত সংশ্লিষ্ট দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যায়।
৩. Erasmus Mundus Global Scholarships
-
বর্ণনা:
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এ স্কলারশিপ। -
স্কলারশিপ সুবিধা:
সম্পূর্ণ বা আংশিক বৃত্তি, যাতায়াত, থাকার খরচ। -
আবেদন প্রক্রিয়া:
বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট প্রোগ্রামে আবেদন করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবেচিত হয়।
আবেদন করার প্রয়োজনীয়তা ও যোগ্যতা
-
একাডেমিক যোগ্যতা: সাধারণত স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
-
ভাষাগত দক্ষতা: IELTS, TOEFL বা অনুরূপ ইংরেজি পরীক্ষার স্কোর।
-
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
-
Academic transcripts
-
CV/Resume
-
Statement of Purpose (SOP)
-
Recommendation Letters
-
Passport কপিসহ অন্যান্য ডকুমেন্ট
-
আবেদন Tips
-
আবেদন সময়সীমার দিকে বিশেষ নজর রাখুন।
-
SOP-তে নিজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট করুন।
-
রেফারেন্স লেটার থেকে আপনার একাডেমিক ও ব্যক্তিগত গুণাবলী তুলে ধরুন।
-
সময়মতো সকল ডকুমেন্ট জমা দিন।











