IELTS-এর Matching Headings এবং True/False/Not given নিয়ে কিছু কথা !

3 Views No Comment

IELTS এবং GRE – দুটো পরীক্ষাতেই আপনি যত কৌশল খাটিয়ে উত্তর বের করতে পারবেন, তত ভালো স্কোর তুলতে পারবেন। কৌশল মানে অবশ্যই দ্রুত উত্তর বের করার কৌশল। তবে যদি মনে করেন, অল্প খেটে বেশি লাভ করবেন, তাহলে ভুল ভাবছেন। কৌশলগুলো খাটিয়ে দ্রুত উত্তর বের করার জন্য আপনাকে প্রথমে এসব ট্যাক্টিকের সাথে অভ্যস্ত হতে হবে, যেটা অনেক পরিশ্রমের ব্যাপার। কিন্তু আপনি জানেন ‘পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি’, আর আপনার সৌভাগ্য আপনাকেই তৈরি করতে হবে। এটা হঠাৎ করে ঘটে যাবে না।

আরেকটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে। প্র্যাকটিস করতে করতে মানুষের ভেতরে Intuition তৈরি হয়, যার ফলে কোন প্রশ্নের উত্তর কোনটা হতে পারে, সে বিষয়ে সঠিকভাবে অনুমান করার ক্ষমতা চলে আসে। এটা হয় প্রশ্নের সাথে নিজের অভ্যস্ততার জন্য। কোন ধরনের প্রশ্নের উত্তর কেমন হতে পারে, সেই ধারণাটা হয়তো প্র্যাকটিস করতে করতে মানুষের মনের ভেতর অবচেতনভাবেই গাঁথা হয়ে যায়। ফলে যত বেশি অনুশীলন করবেন, তত বেশি Intuition তৈরি হবে।

কৌশলগুলোর ব্যাপারে একটু পরে আসছি, আগে বলে নিই কোন কোন ম্যাটেরিয়াল আমার জন্য উপকারী ছিল।

আমি প্রথমে ক্যাম্ব্রিজ IELTS গাইড ৬-১২ সমাধান করতে বসেছিলাম। কিন্তু হাজব্যান্ড বললেন, ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রকাশিত IELTS Practice Tests Plus 1, 2, 3 থেকে প্র্যাকটিস করতে, কারণ এই বইগুলির প্রত্যেকটা সেকশনের এক্সারসাইজই ক্যাম্ব্রিজ IELTS গাইড থেকে কঠিন। আমি তাই প্রথমে ক্যাম্ব্রিজ IELTS গাইডের ১১, ১২ সমাধান করে পরীক্ষার খুঁটিনাটি দিকের সাথে অভ্যস্ত হলাম, এরপর IELTS Practice Tests Plus-এর 1, 2, 3 – এই তিনটা বই থেকে মক টেস্ট সমাধান করলাম। এখন কথা হল, আপনার ইংরেজির দখল কেমন, এবং আপনাকে কীভাবে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে সেটা আপনিই সবচেয়ে ভালো বুঝবেন।

* যদি ইংরেজিতে বেশি দুর্বল হয়ে থাকেন, তাহলে ক্যাম্ব্রিজ IELTS গাইড ১-১২ পর্যায়ক্রমে সমাধান করতে থাকুন। এতে সহজ থেকে কঠিনের দিকে যাবেন বলে ধীরে ধীরে পরীক্ষার বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিকের সাথে (কী ধরনের প্রশ্ন আসে, কয়টা প্রশ্ন আসে বিভিন্ন পার্ট থেকে, একটা টেস্টে মোট কয় প্রকারের প্রশ্ন আসতে পারে, কতো সময়ের মধ্যে আপনাকে একেকটা সেকশন শেষ করতে হবে ইত্যাদি) অভ্যস্ত হতে পারবেন।

** যদি ইংরেজিতে মোটামুটি সবল হয়ে থাকেন, তাহলে ক্যাম্ব্রিজ IELTS গাইড ৬-১২ করে এরপর IELTS Practice Tests Plus 1, 2, 3 করতে পারেন।

*** যদি ইংরেজিতে খুব ভালো হয়ে থাকেন, তবে চোখ বন্ধ করে শুধু IELTS Practice Tests Plus 1, 2, 3 বই তিনটি সমাধান করে পরীক্ষার হলে চলে যেতে পারেন।

আমি আর্টিকেল পড়ায় অভ্যস্ত বলে IELTS-এর রিডিং নিয়ে খুব একটা ভয় ছিল না। আমার ক্ষেত্রে যে কৌশল কাজে লেগেছে, সেগুলো হলঃ

আমি প্রথমে প্রশ্নগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তাম। তবে কাজটা করতাম খুবই দ্রুত, যেন প্যাসেজ পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় হাতে থাকে। এটা করার কারণ হল, প্যাসেজ পড়তে গিয়ে কোনো একটা নির্দিষ্ট লাইন পড়লে মনে পড়তো, এই বিষয়ে আমি প্রশ্ন দেখেছি। কিন্তু সবার জন্য এই কৌশল উপকারী নাও হতে পারে। অনেককেই বলতে শুনেছি, এ কৌশল অনুসরণ করতে গেলে তাদের সময় নষ্ট হয়। প্রথমবার প্রশ্ন পড়তে গিয়ে সময় নষ্ট, আবার প্যাসেজের কোনো লাইন পড়ে প্রশ্নের কথা চিন্তায় এলে সেটা মিলিয়ে দেখার জন্য প্রশ্নে আবার ঢুঁ মারার ফলে দ্বিতীয় দফায় সময় নষ্ট। তাই আপনিই বুঝে নিন, আপনি কীভাবে এগোবেন।

আরেকটা কৌশল হল, পুরো প্যাসেজ প্রথমে স্কিমিং করে তারপর প্রশ্নে ঢুঁ মারা। মনোযোগ দিয়ে স্কিমিং করা রপ্ত করতে পারলে এই কৌশল অনেক উপকারী হবে। এতে সময়ও বাঁচবে। আপনি যদি মাথায় গেঁথে ফেলতে পারেন কোন প্যারায় কোন বিষয়ে কথা বলা হয়েছে, তাহলে প্রশ্ন সমাধান করতে গিয়ে ঠিক ঠিক ঐ প্যারায় ফিরে আসতে পারবেন। তবে এটা একদিনে হবে না। প্রচুর প্র্যাকটিস করে তারপর এই দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আপনার যদি ইংরেজি আর্টিকেল পড়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে উপকার পাবেন।

 স্কিমিং কী? স্কিমিং হল দ্রুত চোখ বুলানো। কিন্তু দ্রুত চোখ বুলালে কি মনোযোগ দিয়ে আর্টিকেল পড়া যায়? হ্যাঁ, এখানেই আসবে আপনার প্র্যাকটিসের কেরামতি। দ্রুত, কিন্তু ইফেক্টিভ উপায়ে স্কিমিং করার দক্ষতা আপনাকে নিজ গুণে আয়ত্ব করে নিতে হবে। আমি কৌশল বলতে পারবো, কিন্তু সে কৌশলে নিজেকে অভ্যস্ত করার ব্যাপারটা আপনাকেই করতে হবে।

প্রথম প্যাসেজের জন্য আমি নিজেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করেছি। কারণ প্রথম প্যাসেজটা করার সময় মাথা তুলনামূলকভাবে ঠাণ্ডা থাকে। এরপর দ্বিতীয়টা করার সময় নার্ভাসনেস বাড়তে থাকে, কারণ আপনি তখন বারবার সময়ের হিসেব কষছেন। তৃতীয় প্যাসেজে গিয়ে মানুষ সবচেয়ে বেশি নার্ভাস ফিল করে। ফলে মনোযোগ দিয়ে প্যাসেজও পড়া হয় না, উত্তরও খুঁজে বের করা যায় না। এজন্য নিজেকে accustomed করে ফেলুন যতটা সম্ভব কম সময়ের মধ্যে (ভালো হয় ১৫ মিনিটের মধ্যে করলে) রিডিং প্যাসেজ ১ শেষ করার জন্য। এর ফলে আপনি বাড়তি ৫ মিনিট পাচ্ছেন, যেটা পরের দুটো প্যাসেজে ভাগ করে নিতে পারবেন। এখন হয়তো আড়াই মিনিটকে কিছুই মনে হচ্ছে না, কিন্তু পরীক্ষার সময় দেখবেন, আড়াই সেকেন্ডের জন্য উত্তর লেখা মিস হয়ে যায়… হাহা!

এবার আমি রিডিং সেকশনের দুই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে কিছু কথা বলবো। এই সেকশনে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে, যেমন –

> diagram label completion,
> matching features
> matching headings
> matching information
> multiple choice questions
> table completion
> true/false/not given

এর মধ্যে matching headings এবং true/false/not given নিয়ে মানুষকে সবচেয়ে বেশি হাবুডুবু খেতে দেখি। চলুন দেখি কীভাবে সাঁতরে পার হওয়া যায় এদের বৈতরণী!

১) matching headings: যখন আমরা বুঝতে পারি না, কোন প্যারায় কী বলা হয়েছে, তখনই হেডিং মেলাতে সমস্যা হয়। আপনি যদি প্যাসেজ বুঝতে পারেন, প্রতিটা প্যারা বুঝতে পারেন, তাহলে হেডিং মিলানোতে কষ্ট হওয়ার কথা না। মূলত হেডিং বানানো হয় একটা প্যারার main idea-র উপর ভিত্তি করে। main idea কী? একটা প্যারায় সাধারণত নির্দিষ্ট একটা বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সেই বিষয়ের আলোচনা করতে গিয়ে অনেক ধরনের তথ্য আসতে পারে ঠিকই, কিন্তু প্রধান আলোচ্য বিষয় থাকে একটা। সেটাই মেইন আইডিয়া।

অনেক সময় দেখা যায়, পুরো প্যারায় একটা জিনিস নিয়ে আলোচনা করে লাস্টের লাইনে অন্য কিছু নিয়ে কথা বলে সমাপ্তি টানা হয়েছে। হেডিংয়ের অপশনে হয়তো মেইন আইডিয়া এবং লাস্ট লাইনের সাথে মিল রেখে দুটো হেডিং দেওয়া আছে। আপনি চিন্তা করে দেখুন, অনেকক্ষণ সময় নিয়ে যা বলা হল, সেটার উপর ভিত্তি করে দেওয়া হেডিং সঠিক হবে, নাকি লাস্টের এক লাইনে যেটা বলা হল, সেটার উপর ভিত্তি করে হেডিং সঠিক হবে? তাই আপনাকে খুঁজে দেখতে হবে, মেইন আইডিয়াটা কী। প্র্যাকটিস করার শুরুতে সময় নিয়ে প্যাসেজ পড়ুন, লাইন বাই লাইন পড়ুন, মেইন আইডিয়া খুঁজে বের করতে শিখুন, এরপর হেডিং মিলান। এরপর নির্দিষ্ট টাইমিংয়ের ভেতর করতে চেষ্টা করুন।

একটা প্যারা দিচ্ছি। নিচের তিনটা অপশন থেকে কোনটা সঠিক হেডিং, বলুন তো?

In the ten hours prior to the Titanic’s fatal collision with an iceberg at 11.40pm, six warnings of icebergs in her path were received by the Titanic’s wireless operators. Only one of these messages was formally posted on the bridge; the others were in various locations across the ship. If the combined information in these messages of iceberg positions had been plotted, the ice field which lay across the Titanic’s path would have been apparent. Instead, the lack of formal procedures for dealing with information from a relatively new piece of technology, the wireless, meant that the danger was not known until too late. This was not the fault of the Titanic crew. Procedures for dealing with warnings received through the wireless had not been formalized across the shipping industry at the time. The fact that the wireless operators were not even Titanic crew, but rather contracted workers from a wireless company, made their role in the ship’s operation quite unclear.

I Faulty design
ii Iceberg locations not plotted
iii Inadequate training

সঠিক উত্তর হবে ii, কারণ পুরো প্যাসেজের মূলভাব ছিল আইসবার্গের অস্তিত্ব সম্পর্কে ওয়ার্নিং পাওয়া সত্ত্বেও সেই মেসেজ ঠিকমতো ডেলিভার করা হয়নি। ফলে এই সংঘাত হয়েছিলো। ডেলিভার করলে আইসবার্গের অবস্থান “plot (চিহ্নিত)” করা যেত। আর কেন সঠিকভাবে ডেলিভার করা হয়নি, সে বিষয়েও অনেক কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেটার উপর ভিত্তি করে কোনো হেডিং দেওয়া হয়নি। আপনি যদি মূলভাব না ধরতে পারে, তাহলে “Inadequate training/ Faulty design”-কে সঠিক এন্সার মনে করতে পারেন। কিন্তু দেখুন, প্যারার কোথাও কিন্তু ট্রেনিং বা জাহাজের ডিজাইন সম্পর্কে কিছু বলেনি।

২) true/false/not given: মানুষ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে false/not given নিয়ে। কোনটা যে false, আর কোনটা যে not given, সেটাই অনেক সময় প্যাঁচ লেগে যায়। মনে রাখবেন, প্যাসেজে যা একদমই বলা হয়নি, সেটা not given হবে। অর্থাৎ not given ইনফরমেশনগুলি আলটপকা বাইরে থেকে এনে প্রশ্নে ঢুকানো হয়। কিন্তু প্রশ্নে অনেক সময় এমনভাবে কিছু মিথ্যা পয়েন্ট উল্লেখ করা হয়, যেটা পড়লে আপনার মনে হবে, প্যাসেজেও এই বিষয়ে লেখা আছে। এগুলোই false। ব্যাপারটা বুঝার জন্য আমি একটা প্যাসেজ দিচ্ছি। পড়ে নিচের পয়েন্টগুলোর মধ্যে কোনটা true/false/not given, বের করুন।

When it opened in 1843 the Thames Tunnel was described as the English Wonder of the World. People came from far and wide to see the first tunnel under a river. On the first day, fifty thousand people descended the staircase and paid a penny to walk through the tunnel. By the end of the first three months there were a million people, or half the population of London. This was the most successful visitor attraction in the world. In the age of sail and horse-drawn coaches, people came long distances and bought souvenirs and listened to the entertainment in the cross-tunnel arches. The idea, of course, was not entertainment but to move cargo and turn a profit.

1. People were drawn from all over to see the Thames Tunnel.
2. People were able to travel by sea or land in those days.
3. Statues of the tunnel could be purchased as souvenirs.
4. The aim of building the tunnel was make money as a tourist attraction.

এখানে দেখুন, প্রথম প্রশ্নে যা জানতে চাচ্ছে, সেটা প্যাসেজের দ্বিতীয় লাইনে বলে দেওয়া আছে। সুতরাং এটা true । দ্বিতীয় প্রশ্নে যা জানতে চাচ্ছে, সেটা আছে প্যাসেজের ৬ নাম্বার লাইনে। এটাও true । তৃতীয় প্রশ্নে যা জানতে চাচ্ছে, সেটা প্যাসেজের কোথাও উল্লেখ নেই। প্যাসেজে শুধুমাত্র সুভেনিরের কথা বলা আছে। কিন্তু কোথাও বলা নেই, টানেলের মূর্তিগুলোকে সুভেনির হিসেবে কেনা যেত কিনা। টানেলের মূর্তির কথা একেবারে আলটপকা এনে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে, Right? তাই এটা not given । এরপর দেখেন চতুর্থ প্রশ্ন। এখানে যা জানতে চাচ্ছে, সেটার সাথে মিল আছে প্যাসেজের শেষ লাইনের। কিন্তু শেষ লাইনে কী বলা আছে? বলা আছে, টানেলটা তৈরি করা হয়েছিলো মালামাল বহনের মাধ্যমে টাকা পয়সা লাভ করার জন্য। কিন্তু প্রশ্নে কথাটাকে ঘুরিয়ে বলা হল, টানেল তৈরির লক্ষ্য ছিল পর্যটক আকর্ষণ করা। তো, কী বুঝলেন? প্রশ্নটা false ।

In : IELTS

About the author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked (required)

এই মাসের সেরা এজেন্সি –