মোবাইল ফোনের মেমোরি কখনোই full হবে না!

এই প্রযুক্তিনির্ভর যুগে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন না এমন মানুষ প্রায় নেই বললেই চলে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় ফোনের ইন্টার্নাল স্টোরেজ যেন সবসময়ই কম মনে হয়। তবে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে সহজেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অনেকটা জায়গা বাঁচিয়ে নেয়া যায়। চলুন জেনে নেই সেই উপায়গুলো সম্পর্কে:-

১. পুরোনো ডাউনলোড ডিলিট অনেক সময়ই আমরা বহু ফাইল ডাউনলোডের পর তা ডিলিট করতে ভুলে যায়। এর ফলে ওই ফাইলগুলো জায়গা নিয়ে বসে থাকে। তাই একদিন সময় করে ডাউনলোডস ফোল্ডারে যান। পুরোনো অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সিলেক্ট করে দিন ডিলিট টিপে। দেখবেন, অনেকটা হালকা হবে ফোনটি!
২. ক্যাশে ও ডেটা ক্লিয়ার ফোনের অ্যাপ ম্যানেজারে যান। সেখানে গিয়ে অ্যাপগুলো সিলেক্ট করুন। তারপর তার ডেটা ও ক্যাশে ডিলিট করুন। এতে পুরোনো অ্যাপ পছন্দ মুছে গেলেও একসঙ্গে অনেক জিবি বেঁচে যায়। তবে মনে রাখবেন, অ্যাপ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাশে বাড়বে এবং আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে ডেটা সাইজ বাড়বে।
৩. লাইট অ্যাপ ব্যবহার করুন ফেসবুক, মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপগুলোর কিন্তু লাইট ভার্সন রয়েছে। এর ফলে আপনার স্মার্টফোনের স্টোরেজ বাড়ে এবং ওএস-ও ফাস্ট কাজ করে।
৪. এসডি কার্ডে অ্যাপ ইনস্টল সবসময় স্মার্টফোনের ওএস-এর উপর চাপ কেন দেবেন? কিছু অ্যাপ মাইক্রো এসডি কার্ডে পাঠিয়ে দিন। এতে জায়গাও বাঁচবে এবং স্মার্টফোনটি দ্রুত কাজও করবে।
৫. গুগল ফটোস সাধারণ গ্যালারি স্টোরেজ না বাড়িয়ে গুগল ফটোসে ফটো ব্যাকআপ করাই যেতে পারে। এর মাধ্যমে যখন ইচ্ছা ফটো দেখতেও পারবেন পাশাপাশি এডিটও করতে পারবেন। বাড়তি পাওনা গ্যালারি স্টোরেজ কমবে।
বিঃদ্রঃ অনেকের ধারণা SD কার্ডে অ্যাপ ইন্সটল করলে ফোনের পারফরমেন্স কমে যায় কিন্তু এটা মোটেই ঠিক না। আপনার ফোনে একাধিক অ্যাপ ইন্সটল থাকলে স্বাভাবিক ভাবেই ফোনের পারফরমেন্স কমে যেতে পারে।যা আপনার ফোনের উপর অনেকটাই নির্ভর করে। আসলে পোস্টটি নতুনদের জন্য করা।যারা বিষয়গুলা জানেনা।।

জেনে রাখুন যেভাবে স্মার্টফোন / মোবাইল বিস্ফোরণ থেকে রক্ষা পেতে পারবেন !

ঘটছে ফোন বিস্ফোরণ: ঠেকাবেন কীভাবে? বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক- স্মার্টফোন বিস্ফোরণ এক আতঙ্কের নাম। সম্প্রতি শাওমি ফোন, স্যামসাং ফোনের বিষ্ফোরণে সবাই বেশি আতঙ্কিত হচ্ছেন। কিন্তু একটু সচেতন হলেই ফোন বিষ্ফোরণের হাত থেকে বাঁচা সম্ভব।

১) স্মার্টফোনে বিস্ফোরণের অন্যতম মূল কারণ ওভার- চার্জিং। বেশিরভাগ ইউজারই রাতে ঘুমনোর সময় সারা রাত ধরে ফোনে চার্জ গিয়ে থাকেন। আর, বেশী সময় ধরে চার্জ দেওয়ার ফলেই ওভার-হিটিংয়ের সমস্যা দেখা যায়৷। তাই, ফোন ফুল-চার্জ হয়ে গেলেই ফোনটিকে আন-প্লাগ করুন।

২) ফোন চার্জ করার সময় কখনই সেটের উপর কোন জিনিস রাখবেন না। এতে ওভার-হিটিংয়ের সমস্যা বেশি দেখা যায়। ফলে, খুব তাড়াতাড়ি আগুন ধরে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। এছাড়া, ফোন চার্জিংয়ের সময় কখনই মুভি দেখবেন না অথবা গেম খেলবেন না। এতেও ওভার-হিটিংয়ের সমস্যা দেখা যেতে পারে।

৩) ফোন চার্জের সময় ইয়ারফোন ব্যবহার বা ফোনে কথা বলার সময় চার্জ দেবেন না। দীর্ঘসময়ের জন্য ফোন চার্জ দেওয়ার সময় কোন গরম জায়গা বা সরাসরি রোদের মধ্যে রেখে চার্জ দেবেন না। যেটি বাড়িয়ে দিতে পারে হিটিং ইস্যুকে। সব সময় সম্ভব না হলেও চার্জ দেওয়ার সময় ফোনটির কেসটিকে রিমুভ করে নিন।

৪) স্মার্টফোন চার্জের সময় ব্যবহার করুন স্মার্টফোনটির নিজস্ব ব্রাণ্ডের চার্জার। ভুয়ো বা অন্য ব্রাণ্ডের চার্জার ব্যবহার ফোনে বিস্ফোরণ ঘটানোর কারণ হতে পারে। চার্জারের মতই অনেক স্মার্টফোনের ব্যাটারিও বদলের প্রয়োজন পড়ে। সেক্ষেত্রে, নির্দিষ্ট স্মার্টফোন সংস্থাটিরই ব্যাটারি ব্যবহার করুন। অনেক সময়ই অন্য সংস্থার ব্যাটারি ব্যবহার হয়ে থাকে। যা দুর্ঘটনার সম্ভবনাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।

bKash / বিকাশে প্রতারিত হলে যা করবেন ?

বর্তমান সময়ে দ্রুততম সময়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকা পাঠানোর অন্যতম জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হলো মোবাইল ব্যাংকিং। আর এই মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমেই প্রতিদিন ঘটছে অহরহ প্রতারণার ঘটনা। একটি চক্র অত্যন্ত সু-কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে বহু টাকা। মোবাইল ব্যাংকিং বিশেষ করে বিকাশের মাধ্যমেই এ প্রতারণা ঘটছে সবচেয়ে বেশি।
সারা দেশে বিকাশের এ রকম হাজারো চক্র আর প্রতারক সিন্ডিকেট রয়েছে। যেভাবে চলে এই প্রতারণা: মূলত ক্ষুদে বার্তা এসএমএসের মাধ্যমেই এই কাজটি করা হয়। ভুল করে বিকাশে টাকা চলে গেছে এরকম কথা বলে সেই অংকের টাকা ফেরৎ পাওয়ার আশায় গ্রাহকের ফোনে কল দিয়ে অনেক আকুতি মিনতি করে টাকা হাতিয়ে নেয় একটি চক্র। সম্প্রতি বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণার কারণে একটি চক্রকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে মিজানুর রহমান নামে সেই প্রতারক চক্রেরই তাদের প্রতারণার কৌশল ও কাজের ধরণ নিয়ে দিয়েছেন বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।
প্রতারক মিজানের ভাষ্য: আমাদের একজন লিডার থাকে। তার অধীনেই কাজ করি আমরা। আমাদের দলের সদস্য সংখ্যা ২০-২৫ জন। যারা সব সময় বিকাশের দোকানের আশপাশে ঘুরাঘুরি করি। কোন ব্যক্তি বিকাশ করতে এলে কৌশলে যে নম্বরে বিকাশ করা হচ্ছে সে নম্বরটি জেনে তৎক্ষনাৎ লিডারকে ফোনে ঐ নম্বরটি জানিয়ে দেই। তিনি প্রথমে ঐ নম্বরে ফোন করে কাতর স্বরে বলেন- ভাই একটু আগে আপনার ফোনে ভুল করে বিকাশে আট হাজার টাকা চলে গেছে। দয়া করে একটু ব্যালেন্স চেক করুন। কিছুক্ষণ পরেই আবার ঐ ব্যক্তিকে ফোন করে বলা হয় ব্যালেন্স চেক করেছেন? তিনি তখন বলেন- না আমার ফোনে তো পাঁচ হাজার টাকাই এসেছে। ভুল করে অন্য কোন টাকা আসেনি”। ব্যস কেল্লাফতে! আমাদের আসলে এতটুকুই জানার প্রয়োজন থাকে। অ্যামাউন্ট জানার সাথে সাথে ওই নম্বরে ভূয়া ফরওয়ার্ডকৃত আট হাজার টাকার একটি এসএমএস চলে যাবে। পরে আবারও আমাদের লিডার তাকে ফোন দিয়ে বলে- ভাই দয়া করে এখন একটু ব্যালেন্সটা চেক করুন। পরে দ্বিতীয় বারের মেসেজ দেখে ওই টার্গেটকৃত ব্যক্তি ব্যালেন্স চেক না করে এসএমএস দেখেই বলেন- হ্যাঁ, তিন হাজার টাকা বেশি এসেছে। তখন অনেক আকুতি মিনতি করে ঐ ব্যক্তিকে বলা হয়- ভাই আমি একজন গরীব বিকাশ দোকানদার। দয়া করে টাকাটা ফেরৎ দিন। না হলে আমার অনেক ক্ষতি হবে। তখন টার্গেটকৃত ব্যক্তি ব্যালেন্স চেক না করেই সাথে সাথে কথিত তিন হাজার টাকা পুনরায় প্রতারকের মোবাইলে বিকাশ করে দেন। উল্লেখ্য মিজানের বাড়ী ফরিদপুর জেলার মধুখালী জেলার ডুমাইল গ্রামে।
বিকাশে টাকা পাঠানোর সময় যেসব বিষয় লক্ষণীয়: (১) অবশ্যই ভালো ও বিশ্বস্ত বিকাশ এজেন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন। (২) টাকা পাঠানোর সময় লক্ষ্য রাখবেন, পাশের কেউ আপনাকে অনুসরণ করছে কিনা। এক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন। (৩) আপনার প্রেরিত টাকার অংক সঙ্গে সঙ্গেই বা টাকা পাঠানোর আগে প্রাপককে জানিয়ে দিন। (৪) দ্বিতীয়বার মোবাইলে কোন মেসেজ আসলে সেটি যাচাই করুন এবং ব্যালেন্স চেক করুন। (৫) কোন ব্যক্তি বিকাশের টাকা ভাঙ্গাতে আসলে সে ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হোন প্রয়োজনে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি রেখে দিন। (৬) প্রতিটি লেনদেনের পর বিকাশ থেকে প্রেরিত মেসেজের মাধ্যমে পাওয়া ব্যালেন্স ইনফরমেশন এবং আপনার কাঙ্খিত ব্যালেন্সের মিল আছে কিনা তা যাচাই করে নিন। (৭) লটারী জেতা, পুরস্কার বা প্রতিযোগিতা এই ধরণের কোন মেসেজ বা ফোন কলে সাড়া দিবেন না। (৮) খেয়াল রাখতে হবে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠালে মেসেজের উপরে অবশ্যই bkash লেখা থাকবে। কিন্তু ফরোয়ার্ডকৃত মেসেজে কখনোই bkash লেখা থাকে না। মোবাইল ব্যাংকিং-এ প্রতারিত হলে যা করবেন: মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কেউ প্রতারিত হলে প্রতারণাকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরাসরি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। এছাড়া সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশের চালু হওয়া Hello CT অ্যাপস এ গিয়ে সাইবার ক্রাইম অথবা আন্তঃদেশীয় অপরাধ/জালিয়াতি অপশনে ঢুকে আপনার অভিযোগটি সরাসরি লিখুন। লেখক: সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা।-

জেনে রাখুন যে কারনে স্মার্টফোনের Battery চার্জ তারাতাড়ি শেষ হয়ে যায় !

যে কারনে স্মার্টফোনে তাড়াতাড়ি চার্জ হয়না এবং চার্জ ফুরিয়ে যায় দ্রুত! স্মার্টফোন মানেই নানা আকর্ষণীয় ফিচারের সমারোহ। পাশাপাশি লোভনীয় সব অ্যাপ-এর দুনিয়া। কিন্তু স্মার্টফোন নিয়ে বড় অভিযোগ হচ্ছে, চার্জ ফুরিয়ে যায় দ্রুত। অবশ্য নানা ধরনের অ্যাপ আর ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্যই স্মার্টফোনের চার্জ শেষ হয় দ্রুত।

এছাড়া আরো একটি অভিযোগ হচ্ছে, স্মার্টফোনে চার্জ হয় ধীরগতিতে। এটাও কিন্তু নির্ভর করে ব্যবহারকারীদের নিয়মমাফিক চার্জ ব্যবস্থার ওপর। কেননা বেশ কিছু ভুলের কারণে স্মার্টফোনে দ্রুত চার্জ হয় না। স্মার্টফোনে ধীরগতিতে চার্জ হওয়ার কারণগুলো জেনে নিন ।

১. নকল চার্জার ব্যবহার করা: আসল চার্জার দিয়ে সঠিক জায়গা থেকে ফোন চার্জ করুন সবসময়। অনেককেই ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ থেকে ফোন চার্জ করতে দেখা যায়। এতে কিন্তু চার্জ খুব ধীর গতিতে হয়। খেয়াল রাখুন, কোনো ইমার্জেন্সি পরিস্থিতিতে এভাবে চার্জ দিতে পারেন ফোনে। এটি আপনার সেকেন্ড অপশন হতে পারে। কিন্তু নিয়মিত আপনি এভাবে ফোন চার্জে বসাবেন না। তাহলে বেশিক্ষণ চার্জ থাকবে না ফোনে।

২. চার্জের সময় কানেক্টিভিটি চালু রাখা: ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, জিপিএস, ডাটা কানেকশন ইত্যাদি ফিচারগুলো অনেক সময়ই দেখা যায় কাজ শেষে অনেক সময়ই বন্ধ করা হয় না। এগুলো চালু থাকলে ফোনের চার্জে ব্যাঘাত ঘটে। অতএব ফোনের চার্জ ঠিক রাখতে হলে ব্যবহারের পর সময়মতো সমস্ত অপশন বন্ধ করে দিন।

৩. চার্জের সময় ফোনে কথা: ফোন চার্জে বসিয়েও অনেকের কথা বলার অভ্যাস থাকে। এতে ফোনের চার্জ ভালোভাবে হয় না। আর ফোন চার্জে থাকাকালীন কথা বলাটা স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো নয়। তাই সেই সময় কথা না বলাই ভালো। ফোনের সুইচ অফ করে চার্জ দিলে সবচেয়ে ভালো।

৪. চার্জের সময় অ্যাপ চালু রাখা: চার্জে দেওয়ার আগে দেখে নিন, সব অ্যাপ বন্ধ রয়েছে কি না। অনেকসময় ফোন লক থাকলেও, অ্যাপ রানিং থাকতে দেখা যায়। এতে ফোনের চার্জ কমে যায়। আবার চার্জ দিলেও ভালোভাবে চার্জ হয় না ফোনে। বা পুরোপুরি চার্জ হতে অনেক সময় লাগে। তাই চার্জে বসানোর আগে ফোন অন থাকলেও ফেসবুক, টুইটারের মতো অ্যাপ লগআউট করেছেন কি না দেখে নিন।

৫. ব্যাটারিতে সমস্যা: ব্যাটারি খারাপ হলে ফোনে বেশিক্ষণ চার্জ থাকার কথা নয়। তাই ফোনের ব্যাটারি পুরোনো হয়ে গেছে কি না খেয়াল রাখুন সেদিকেও। আবার অনেক সময় নতুন ব্যাটারি কিনলে সেটিতেও কোনো ডিফেক্ট থাকতে পারে। তাই চার্জ বেশিক্ষণ না থাকলে বা চার্জ না হলে দেখে নিন ব্যাটারির কন্ডিশনও।

জেনে নিন যেসব কারণে ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড হ্যাক হয় !

প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো। আর সেই তালিকায় প্রথমেই আছে ফেসবুক। তবে অনেকেরই ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড হ্যাক হওয়ার অভিজ্ঞতার মধ্যে পড়েছেন। বিভিন্ন কারণেই ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড চলে যেতে পারে অন্যের নিয়ন্ত্রণে।

তবে আর দেরি না তরে চলুন জেনে নেই ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক হওয়ার কিছু কারণ সম্পর্কে- .

একাউন্ট ফিশিং . এই প্রক্রিয়ায় হ্যাকার আপনাকে বিভিন্নভাবে লিংক পাঠাবে। হতে পারে ফেসবুক ম্যাসেজে কিংবা আপনার ইমেইলে। অবিকল ফেসবুক থেকে আসা নোটিফিকেশনের মতই লিংক আসে। ব্যবহারকারীরা বুঝতেই পারেন না আসলে এসব ফেসবুকের না। একে বলা হয় ফিশার ওয়েব।

অবিকল দেখতে একটি ওয়েবসাইটের মতো হলেও আসলে তা নয়। ফলে যদি ফেসবুক ভেবে লগ ইন করেন তাহলেই আইডি খোয়া যাবে আপনার। ওয়েবসাইটের শেয়ার বাটন কিছু ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে শেয়ার বাটন ক্লিক করা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ থার্ড পার্টি ওয়েবসাইটে ছবি শেয়ার করতে সেখানে যে অপশন থাকে সেখানে ক্লিক করলেও অনেক সময় আপনার একাউন্ট ও পাসওয়ার্ড হ্যাক হতে পারে।

ফেইক বন্ধুত্ব . অনেক সময় দেখা যায় হ্যাকার ছদ্মবেশে আপনার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে এরা। আপনার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আপনাকে ইনবক্সে লিংক পাঠায়। এসব লিংকে না বুঝে ক্লিক করলেই আপনার গোপন পাসওয়ার্ড এবং ইমেইল হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।

সাইবার ক্যাফেতে লগ ইন অনেকে শুধু মোবাইলেই ফেসবুক চালাতে অভ্যস্ত। মাঝেমধ্যে কম্পিউটারে বসেন কেবল বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে। এসব ক্ষেত্রে যারা পাবলিক কম্পিউটার যেমন- সাইবার ক্যাফেতে যান, অনেক সময় তারা একাউন্ট লগ আউট করতে ভুলে যান। অথবা অনেকেই লগ ইন করার সময়ে খেয়াল করেন না রিমেম্বার পাসওয়ার্ড দেয়া রয়েছে। এভাবে আপনার অজান্তে অন্য কেউ আপনার একাউন্ট এ প্রবেশ করে হ্যাক করে নিতে পারে।

ফেসবুক অ্যাপঃ ফেসবুকে নানা অ্যাপ রয়েছে। এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সব সময় সাবধান থাকা উচিত। অনেকেই এসব অ্যাপকে নিজের ইমেল একাউন্ট পাসওয়ার্ডসহ নানান তথ্য দিয়ে দেন। যা অনেক ক্ষেত্রেই এরা বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থার কাছে বিক্রি করে। এভাবে ফেসবুক অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের একাউন্ট হারাতে পারেন।

Thanks 

এন্ড্রয়েড এর ৪০ টি গুরুত্বপূর্ণ সিকিউরিটি কোড যা আপনার জেনেরাখা দরকার ।

এন্ড্রয়েড এর ৪০ টি গুরুত্বপূর্ণ সিকিউরিটি কোড যা আপনার লাগবেই যেকোন সময়ে আপনার কোড গুলো প্রয়োজন হতে পারে তাই শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন।
. *#06# – IMEI নাম্বার প্রদর্শন করবে।
. *2767*3855# – ফ্যাক্টরি রিসেট কোড ( ফনের সব ডাটা ডিলিট হয়ে যাবে )
. *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত তথ্য।
. *#*#273282*255*663282*#*#* – সকল মিডিয়া ফাইল ব্যাক আপ করার কোড।
. *#*#197328640#*#* – সার্ভিস টেস্ট মোড কোড।
. *#*#1111#*#* – FTA সফটওয়্যার ভার্সন ।
. *#*#1234#*#* – PDA এবং firmware ভার্সন।
. *#*#232339#*#* – Wireless LAN টেস্ট কোড।
. *#*#0842#*#* – ব্যাক লাইট ও ভাইব্রেসন টেস্ট কোড।
. *#12580*369# – সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার ইনফর্মেশন।
. *#*#2664#*#* – টাচ স্ক্রীন টেস্ট কোড।
. *#9900# – সিস্টেম ডাম্প মোড।
. *#9090# – ডায়াগনস্টিক কনফিগারেশন।
. *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফর্মেশন।
. *#872564# – ইউএসবি লগিন কন্ট্রোল।
. *#301279# – HSDPA/HSUPA কন্ট্রোল মেনু।
. *#7465625# – ফোন লক স্ট্যাটাস।
. *#*#7780#*#* – ফ্যাক্টরি রি-স্টোর সেটিং। গুগল অ্যাকাউন্ট সহ সকল সিস্টেম ডাটা মুছে যাবে।
. *2767*3855# – ফ্যাক্টরি ফরম্যাট সেটিং। সকল ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল ডাটা মুছে যাবে এবং ফার্মওয়্যার রি- ইন্সটল হবে।
. *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি ইনফর্মেশন।
. *#*#273283*255*663282*#*#* – ফাইল কপি স্ক্রীন। সব ইমেজ, সাউন্ড, ভিডিও, ভয়েস মেমো ব্যাক আপ করা যাবে।
. *#*#197328640#*#* – সার্ভিস মোড কোড। বিভিন্ন টেস্ট ও সেটিং বদলানোর জন্য।
. *#*#7594#*#* – এই কোড আপনার ইন্ড কল/ পাওয়ার বাটন কে ডাইরেক্ট পাওয়ার অফ বাটন এ পরিনত করবে।
. *#*#8255#*#* – G Talk সার্ভিস মনিটর কোড।
. *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফর্মেশন। ক্যামেরা ফার্মওয়্যার আপডেট অপশন টি ব্যবহার করবেন না। এতে আপনার ক্যামেরা ফাংশন বন্ধ হয়ে যাবে।
. W-LAN, GPS and Bluetooth Test Codes: *#*#232339#*#* OR *#*#526#*#*
. OR *#*#528#*#* – W-LAN টেস্ট কোড। টেস্ট শুরু করার জন্য মেনু বাটন ব্যবহার করুন।
. *#*#232338#*#* – ওয়াইফাই ম্যাক এড্রেস।
. *#*#1472365#*#*- জিপিএস টেস্ট।
. *#*#1575#*#* – আরেকটি জিপিএস টেস্ট কোড।
. *#*#232331#*#* – Bluetooth টেস্ট কোড।
. *#*#232337#*# – Bluetooth ডিভাইস ইনফর্মেশতেস
. *#*#0588#*#* – প্রক্সিমিটি সেন্সর টেস্ট।
. *#*#0*#*#* – এলসিডি টেস্ট।
. *#*#2664#*#* – টাচ স্ক্রীন টেস্ট।
. *#*#2663#*#* – টাচ স্ক্রীন ভার্সন।
. *#*#0283#*#* – প্যাকেট লুপ ব্যাক।
. *#*#0673#*#* OR *#*#0289#*#* – মেলোডি টেস্ট। *#*#3264#*#* #

Android মোবাইল দিয়ে কম্পিউটারের মতন Browsing করুন!

আমাদের সকলের কিন্তুু কম্পিউটার বা ল্যাপটপ নেই!  আর আপনারা সকলেই জানেন যে মোবাইল দিয়ে কিন্তুু কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মত সব কাজ করা যাইনা! আর আমাদের কিন্তুু অনেক সময় কম্পিউটার দিয়ে Browsing করার প্রয়োজন পড়ে, কারণ মোবাইল দিয়ে  সব ফিটার পাওয়া যাইনা, কিন্তুু আমাদের সবার যেহেতু কম্পিউটার বা ল্যাপটপ নেই তাই আমরা সেই কাজ গুলা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে করতে পারি না। মোবাইল দিয়েই করতে হয়!
যাইহোক আপনাদের টেনশনের কোনো কারণ নেই, কারণ আজ আমি আপনাদের সাথে এমন একটি Android Mobile Browser শেয়ার করব যে browser টি দিয়ে আপনারা same কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মতন Browsing করতে পারবেন।
প্রথমে আপনার এই link থেকে Browser টি Download করে নিতে হবে ➡ Download link

অথবা Play Store এ যেয়ে Puffin Web Browser লিখে সার্চ দিতে হবে তার পর প্রথমেই যে Browser টি পেয়ে যাবেন সেটা Download করে নিবেন এবং তার পর Browser টি  open করবেন।
তার পর এরোকম ইন্টারফেস দেখতে পারবেন।

তার পর আপনি যদি Desktop Mode এ browsing করতে চান তাহলে উপরের ডান পাশের 3dot অপশনে ক্লিক করবেন এবং Request Desktop Site এ ক্লিক করে দিবেন। তাহলেই আপনার browser টি desktop mode হয়ে যাবে।

তার পর আপনি যেটা browsing করতে চান সেটা Desktop mode এ কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর মতন হুবহু browsing করতে পারবেন।

তার পর আপনি যদি কম্পিউটার এর মতন Mouse + Keyboard + GamePad অপশন আনতে চান তাহলে এই অপশনে ক্লিক করলেই GamePad + Mouse + Keyboard এর অপশন দেখতে পারবেন।

এখন আপনার যেটা প্রয়োজন সেটাই কম্পিউটার এর মতন use করতে পারবেন।
এছাড়াও এই Puffin browser এ আরো অনেক ফিচার পেয়ে যাবেন যা আপনার অন্য কোনো Android Mobile Browser এ দেখতে পারবেন না।

“ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে পড়ার জন্য”

হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের লোকেশন বের যেভাবে করবেন।

হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের লোকেশন বের যেভাবে করবেন।
মোবাইল ফোন হারানোটা আকস্মিকভাবেই ঘটে যায় আমাদের সাথে। মোবাইল ফোন হারানোর অভিজ্ঞতা হয়তো আপনারও রয়েছে। হ্যান্ডসেট চুরি-ছিনতাইয়ের ফলে আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও নানা হয়রানির শিকার হতে হয় এর মালিককে। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া ফোনের লোকেশন সহজ পদ্ধতিতে খুঁজে বের করা সম্ভব।
ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘গুগল’ এর একটি সেবা রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইল ফোনের বর্তমান অবস্থান তাৎক্ষনিকভাবেই জেনে নিতে পারেন। তবে এটি শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড
ফোনের জন্য। এ অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে মোবাইল ফোনের
বর্তমান অবস্থান জানার সুযোগ পেতে হলে আপনার ফোনটি থেকে গুগল আইডি বা জিমেইল আইডি চালু লগইন থাকতে হবে। আপনার জিমেইল আইডি যে ফোনে লগইন করা আছে সেই ফোনটি যদি হারিয়ে যায় তাহলে যেকোনো কম্পিউটার থেকে maps.google.com -এ ব্রাউজ করতে হবে। এরপর
আপনার হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোনটি যে গুগল আইডি দিয়ে লগইন করা আছে, সেই অ্যাকাউন্টটিই ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। maps.google.com -এর উপরে বাম দিকে থ্রি-ডট লাইন অথবা তিন টি সরলরেখার মতো চিহ্ন দেখতে পাবেন। ক্লিক করুন
সেই চিহ্নে। ক্লিক করার পর ‘ইয়োর টাইমলাইন’ বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন সেখানে। সেখান থেকে আপনি যে দিনের লোকেশন দেখতে চান, সেই দিনটি সিলেক্ট করতে হবে।তাহলে গুগল ম্যাপের উপর আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনের লোকেশন দেখতে পাবেন আপনি। আর কপাল যদি আপনার আমার থেকে দুই আজ্ঞুল বেশি চওরা হয় তবে একটু বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে হারিয়ে যাওয়া অথবা ছিনতাই হওয়া
ফোনটির কাছে দ্রুত পৌছে যেতে পারেন।

“ধন্যবাদ”

ফেসবুকে নির্দিষ্ট কারো কাছে অফলাইন হয়ে থাকুন। অন্য সবাই Active দেখতে পাবে শুধু ঐ ব্যক্তি ছাড়া !

ফেসবুকে নির্দিষ্ট কারো কাছে অফলাইন হয়ে থাকুন। অন্য সবাই Active দেখতে পাবে শুধু ঐ ব্যক্তি ছাড়া।

আজকে আমি আপনাদের দেখাব – ফেসবুকে কিভাবে নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির কাছে অফলাইন হয়ে থাকা যায়।

আমরা যখন ওনলাইনে থাকি অনেক সময় তা অনেকের কাছে গোপন রাখতে চাই। আর সেজন্য চ্যাট অফ করে রাখি। কিন্তু এতে করে আর কেউই আপনাকে অনলাইনে দেখতে পায় না!

কিন্তু আজকের টিপসের মাধ্যমে শুধু নির্দিষ্ট কারো কাছে অফলাইন ও অন্য সকলের কাছে অনলাইন হয়ে থাকতে পারবেন।

প্রথমেই আপনি ক্রোম বা ফোনের ডিফল্ট ব্রাউজার থেকে ডেস্কটপ মুড ওন করে ফেসবুকে প্রবেশ করুন।
আপনার আকাউন্টে লগিন করুন।

তারপর একদম নিচের দিকে চ্যাট রয়েছে।
এখান থেকে চ্যাট এর উপরের সেটিং আইকন এ ক্লিক করুন।

তার পর সেখান থেকে Turn Off Chat এ ক্লিক করুন।

পরবর্তী পেইজে Turn off contact for some people অথবা Turn off chat for only some friends যদি থাকে তাহলে সেই লেখাটা মার্ক করুন। নিচের ঘরটায় যার কাছে অফলাইন থাকতে চান তার নাম
লিখে তাকে সিলেক্ট করুন। সেভ করুন।

এইবার যাকে সিলেক্ট করলেন সে আর আপনাকে ওনলাইনে দেখতে পাবে না।

“ধন্যবাদ”

জেনেরাখুন মোবাইল Fast করার ৫টি Tricks

আমরা অনেকেই এন্ড্রোয়েড মোবাইল ব্যবহার করি।
অনেকদিন ব্যবহার করার পর আপনার এন্ড্রোয়েড মোবাইলটি স্লো হয়ে যায়। কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই চান না যেন আপনার মোবাইলটি স্লো হয়ে যাক। আজ আপনাদের দেব এমন ৫টি দরকারি টিপস দিব যা আপনার এন্ড্রোয়েড মোবাইল কে ফাস্ট করবেই করবে।
তাহলে দেখে নেই টিপস গুলোঃ

১/ ফোন টি মাঝে মাঝে রিস্টার্ট করুন। রিস্টার্ট করলে আপনার মোবাইল এর সকল রানিং Apps ক্লোজ হয়ে যায় ফলে ফোন দ্রুত কাজ করে, কিন্তু রিস্টাট  দিলে ফোন মেমোরিতে থাকা তথ্য মুছে যাবে যেমন: ছবি, অডিও, মেসেজ, নাম্বার ইত্যাদি। তাই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কপি করে রেখে সকলে নিজ দায়িত্বে দিবেন!

২/ মোবাইল এর এনিমেশন/Live ওয়ালপেপার অফ করুন। এটি দিয়ে দুইটি লাভ হয়। এক-এটি আপনার মোবাইলকে ফাস্ট করবে। দুই-এটি আপনার মোবাইলের ব্যাটারি সেভ করবে।

৩/ টাস্ক ম্যানেজার দিয়ে Unresponsive আপস ফোরস ক্লোজ করুন অথবা এপস মেনেজার থেকে
অপ্রয়োজনীয় এপস গুলো ফোরস স্টপ করে দিন!

৪/ মোবাইলের internal storage খালি রাখুন।

৫/ অপ্রয়োজনীয় Apps এবং Widgets আনইন্সটল করুন।

“ধন্যবাদ”